ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন দারুল উলূম কামিল মাদরাসা গর্ভনিং বডির সভাপতি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজন।

মঙ্গলবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী মানুষের প্রতি সমর্থন জানিয়ে শতবর্ষী দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম কামিল মাদরাসা আয়োজিত সংহতি মিছিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উক্ত আহবান জানান তিনি।

ইসরায়েল বিগত অনেক বছর ধরে ফিলিস্তিনিদের ওপর বর্বর নির্যাতন চালিয়ে আসছে। সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে তারা ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ভূমি দখল করে আছে। ইসরায়েলের লাগাতার বোমা হামলায় ফিলিস্তিনি নাগরিকগণ সম্পূর্ণ অবরূদ্ধ হয়ে পড়েছে। সেখানকার মানবিক পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ লাভ করেছে।

খোরশেদ আলম সুজন।

স্বাধীনতাকামীদের দমনের নামে ইসরায়েল প্রতিনিয়ত ফিলিস্তিনি নারী, পুরুষ ও শিশুদের নির্বিচারে হত্যা করছে। গাজাকে সম্পূর্ণভাবে অবরূদ্ধ করে রাখা হয়েছে। সেখানে নির্বিচারে বোমাবর্ষণে আটকে পড়া ফিলিস্তিনির দুর্দশা চরমে। পানি, খাদ্য ও ওষুধের সরবরাহ প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছে। এক চরম মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের হামলায় আবাসিক ভবনগুলো সম্পূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে গৃহহীন হয়ে পড়েছে লাখ লাখ মানুষ। সেখানকার একমাত্র বিদ্যুৎকেন্দ্রটির জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। যার ফলে সেখানে মানবিক বিপর্যয়ের আশংকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ।

খোরশেদ আলম সুজন।

এমন করুণ পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনিদের বাঁচাতে বিশ্ববাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন তিনি। এ পরিস্থিতিতে একমাত্র বিশ্ববাসীই পারেন ফিলিস্তিনি জনগনকে ইসরায়েলি অমানবিক হামলা থেকে মুক্ত করতে।

অবিলম্বে ফিলিস্তিনি মুসলমানদের উপর বর্বরোচিত ইসরায়েলি হামলা বন্ধের আহবানও জানান খোরশেদ আলম সুজন। সংহতি মিছিলটি গনি বেকারী হয়ে জামালখান প্রেসক্লাব, চেরাগী পাহাড়ের মোড়, রহমতগঞ্জ হয়ে পুনরায় মাদরাসায় ফিরে আসে। এসময় মাদরাসার অধ্যক্ষ মুহাম্মাদ মুহসিন ভূঁইয়াসহ সর্বস্তরের শিক্ষকমন্ডলী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।