হ্যাকিং থেকে সুরক্ষায় এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রায় ৩৮ ঘণ্টা জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের সার্ভার বন্ধ রেখেছিল নির্বাচন কমিশন। ৩৮ ঘণ্টা পর বুধবার দুপুর ২টায় পুরোদমে চালু হয়েছে সার্ভারটি।

এদিন রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম হুমায়ূন কবীর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান।

এ কে এম হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘আমরা প্রথমে দুঃখ প্রকাশ করছি কিছু সময়ের জন্য সার্ভারের মেইটেনেন্স (রক্ষণাবেক্ষণ) ও অন্য কিছু কারণের জন্য সার্ভার বন্ধ রেখেছিলাম। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি সার্ভার আমরা ওপেন করে দিয়েছি। আমাদের মেইনটেনেন্স (রক্ষণাবেক্ষণ) আর পত্রিকায় দেখেছিলাম ১৫ আগস্ট এ সময়ে সার্ভারে থ্রেট আসতে পারে। আমরা চিন্তা করলাম জাতীয় তথ্যভাণ্ডার যদি হ্যাক হয় বা অন্য কিছু হয় তাহলে তো আমাদের রিকোভার করতে হবে। আমাদের ওপর কোনো থ্রেট নেই। সার্ভার থেকে ১৭১ প্রতিষ্ঠান ও সাধারণ মানুষ সেবা পেয়ে থাকে।’

সার্ভারে কোনো লু-ফলস দেখতে পেলে অবশ্যই জাতির স্বার্থে বসে সিদ্ধান্ত নেবেন জানিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সবসময় চেষ্টা করে এটা সচল রাখার জন্য।’

১৪ আগস্ট রাত ১২টার পর সার্ভার বন্ধ করে দেয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘যখন আমাদের মেসেজ এলো কিছু হুমকি আসতে পারে তখন ওই সিদ্ধান্ত হয়। আজকে এই মুহূর্তে ২টায় চালু করেছি।’

 

হ্যাক করার চেষ্টা হয়েছে কি না জানতে চাইলে আইডিইএ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ সায়েম বলেন, ‘আমরা কিছু থ্রেট দেখেছি। মাইনর ইন নেচার। এই থ্রেটটা দেখেছি যেটা নেগোসিয়েশন করার মতন। আজকে থ্রেটগুলো দেখেছি সেটা মূল্যায়ন করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি এটা নেগোশিয়েট করা হয়েছে। দুইটা থেকে ফুল রান করছে। এখন পুরোপুরি সুরক্ষিত।’

বিষয়টি ১৭১টি সেবাগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানকে জানানো ছিল উল্লেখ করে এ কে এম হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘সাধারণকে যদি বলি তাহলে প্যানিক সৃষ্টি হতে পারে। প্যানিকটাকে মিনিমাইজ করার জন্য আজকে সকালেই চালুর চেষ্টা করেছিলাম। চালু করতে গেলে সব চেক করেছি। সাধারণের কষ্ট খুবই সামান্য।’