৭ সংস্থার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মসম্পাদন চুক্তি

কার্যকর, দক্ষ এবং গতিশীল প্রশাসনের আওতায় সরকারের উন্নয়ন লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) তার অধীন সাতটি সংস্থার সঙ্গে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) করেছে।

বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ চুক্তির স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিানে প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) আখতার হোসেন।

এছাড়াও ওই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান লোকমান হোসেন মিয়া, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন, বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান, জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান নাসরীন আফরোজ, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ কর্তৃপক্ষের (পিপিপিএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. মুশফিকুর রহমান, এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক শেখ মো. মনিরুজ্জামান এবং আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক আবু সালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালকরা এবং পরিচালকরাসহ গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সব কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া সরকারি কর্মচারীদের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) ভূমিকা প্রসঙ্গে বক্তব্য উপস্থাপন করেন। তিনি এপিএ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটকে কার্যকরী ভূমিকা রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে গভর্নেন্স ইনোভেশন ইউনিটের মহাপরিচালক ড. মোহাম্মদ আবদুল লতিফ বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির (এপিএ) পটভূমি, এপিএ প্রণয়ন, পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন গাইডলাইন এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন ৭টি দপ্তর/সংস্থা কর্তৃক দাখিলকরা এপিএ’র ওপর বক্তব্য রাখেন।

বেপজা নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল আবুল কালাম মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান তার বক্তব্যে দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানকে যথাযথ ক্ষমতায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি কীভাবে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য পূরণে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে সে বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করেন।

বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন তার বক্তব্যে সরকারি দপ্তর/সংস্থায় অ্যানুয়াল পারফরম্যান্স অ্যাপ্লেইজাল রিপোর্ট পদ্ধতি বাস্তবায়নের বিষয়ে বলেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোহাম্মদ সালাহ উদ্দিন ফলাফলধর্মী কর্মসম্পাদন সূচক, লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ ও এর সফল বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব আরোপ করার জন্য দপ্তর/সংস্থাসমূহকে নির্দেশনা দেন। বিশেষ অতিথি আখতার হোসেন, মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি বিষয়ক) সরকারি বিভিন্ন সেবা প্রদান প্রক্রিয়ার সহজীকরণ ও অটোমেশনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *