হিলিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা

আমদানি বাড়ায় একদিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ৩ টাকা। গতকাল প্রতি কেজি পেঁয়াজের দর নেমেছে প্রকারভেদে ৫৩-৫৪ টাকায়। শনিবার পণ্যটি বিক্রি হয়েছিল ৫৬-৫৭ টাকায়। দাম কমায় খুশি বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকাররা।

হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা পাইকার আইয়ুব আলী বলেন, ‘গত সপ্তাহ থেকেই বন্দর দিয়ে পেঁয়াজের আমদানি কমে গিয়েছিল। তাই দামও বেড়ে যায়। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে কেজিতে ১০ টাকার মতো বেড়ে যায়।

বন্দরের পেঁয়াজ ব্যবসায়ী রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘গত কয়েকদিন বৈরী আবহাওয়া ও বৃষ্টিপাতের কারণে ভারতের কৃষক খেত থেকে পেঁয়াজ তুলতে পারেননি। এতে দাম খানিকটা বেড়ে যায়। এখন আবহাওয়া ভালো থাকায় ভারতের মোকামগুলোয় আবারো সরবরাহ বেড়েছে। তাছাড়া ভারতের কৃষক পেঁয়াজ রফতানিতে সরকার যে শুল্ক আরোপ করেছে তা প্রত্যাহারের দাবিতে আন্দোলন চালাচ্ছিলেন। এ কারণে অনেক মোকামে পেঁয়াজ লোডিং বন্ধ ছিল। আন্দোলন প্রত্যাহার করায় আবারো মোকামগুলোয় পেঁয়াজ লোডিং শুরু হয়েছে। এতে বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি স্বাভাবিক হয়েছে।’

আমদানি বাড়ায় দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় পণ্যটির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দাম কমতে শুরু করেছে পণ্যটির। আমদানি অব্যাহত থাকলে দাম আরো কমতে পারে বলে।

জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, ‘দুদিন বন্ধের পর শনিবার বন্দর দিয়ে আমদানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পেঁয়াজ আমদানির পরিমাণ আগের তুলনায় অনেকটা বেড়েছে। আগে ১০-১৫ ট্রাক করে পেঁয়াজ আমদানি হলেও গতকাল একদিনেই ৪৭টি ট্রাকে ১ হাজার ৩৯৫ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। আজও বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে।’

পেঁয়াজ কাঁচামাল হওয়ায় রোদ-বৃষ্টিতে দ্রুত পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই বন্দর কর্তৃপক্ষের কাস্টমস প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন সোহরাব হোসেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *