বৈশ্বিক সংঘাতে বিশ্বজুড়ে ব্যবসা খাতে ধ্বস নেমেছে। অনেক দেশ ইতোমধ্যে অনেকটা কাটিয়ে উঠলেও বাংলাদেশ ডলার সংকটসহ নানান কারণেএখনো এই প্রতিকূলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি। তাতে দেশে ব্যবসা-বাণিজ্যকে গতিশীল, সহজীকরণ ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির স্বার্থে পাঁচটি মূল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা জরুরি মনে করে বিজনেস কনসালট্যান্ট প্রতিষ্ঠান লাইটক্যাসল পার্টনার্স।

চ্যালেঞ্জগুলো হলো- শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, প্রান্তিক উপকারভোগীদের জন্য গৃহীত নীতি বাস্তবায়ন না হওয়া, আর্থিক সুযোগ সুবিধায় প্রবেশগম্যতা না থাকা, বাজারে চাহিদা কমে যাওয়া ও অদক্ষ মানব সম্পদ।

সম্প্রতি রাজধানীর গুলশানের একটি হোটেলে প্রতিষ্ঠানটি ‘দি লাইটক্যাসল বিজনেস কনফিডেন্স ইনডেক্স ২০২২-২০২৩ (বিসিআই)’ শিরোনামে প্রতিবেদনের পঞ্চম সংস্করণ প্রকাশ করে। এতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে দেশে অস্বাভাবিকভাবে শিল্পের কাঁচামালের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন খরচ প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এ কারণে জিনিসপত্রের দামও মাত্রাতিরিক্তভাবে বাড়ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়। এভাবে মাত্রাতিরিক্ত ব্যয় বৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষ জীবন যাপনের খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে।

ব্যবসা খাতের প্রধান যে পাঁচ চ্যালেঞ্জ

প্রতিবেদনে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বেসরকারী খাতে যে প্রভাব পড়েছে তা সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হয়। এতে বেশ কয়েকটি সুপারিশও তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো- চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় ব্যবসায়িক আস্থা বাড়ানো। টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নে সরকারের দৃঢ় পদক্ষেপের পাশাপাশি প্রচারের কৌশল গ্রহণ করা। মুদ্রাস্ফীতি কমানো ও শিল্পে কাঁচামালের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা।

এ সম্পর্কে পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, এই রিপোর্টে অর্থনীতির এমন কিছু সূচক উঠে এসেছে যা দেশের বর্তমান ও ভবিষ্যত পরিস্থিতিকে তুলে ধরে। দেশের নীতি নির্ধারক, শিল্পপতি, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীরা এই ‘বিজনেস কনফিডেন্স ইনডেক্স’ থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনগুলোতে কাজে লাগাতে পারেন।